মাধ্যমিক হিসাববিজ্ঞান (৯ম-১০ম শ্রণী) পাঠ সিলেবাস

মাধ্যমিক হিসাববিজ্ঞান (নবম-- দশম)


কোর্সের বর্ণনাঃ এই কোর্সটি মূলত নবম ও দশম শ্রেণীর হিসাববিজ্ঞানের উপর করা হয়েছে। এখানে হিসাববিজ্ঞানের এস.এস.সি. পরীক্ষার সিলেবাস অনুসারে প্রতিটি লেকচার সাজানো হয়েছে। মাধ্যমিক হিসাববিজ্ঞানের প্রতিটি অধ্যায়ের থিউরি+অংক সবগুলো বিষয়ের উপর পূর্ণাঙ্গ আলোচনা থাকবে।
যদিও এই কোর্সটি এস.এস.সি’র সিলেবাস অনুসারে তৈরি করা হয়েছে তথাপি যারা অন্য কোন বিভাগ থেকে এসে কমার্সে ভর্তি হন কিংবা আনার্সের কোননা কোন ক্ষেত্রে হিসাববিজ্ঞান বিষয়টি পড়তে বাধ্য হন তখন এই কোর্সটি তাদের জন্য খুবই প্রয়োজনীয় হবে কারণ এখানে আমি হিসাববিজ্ঞানের মূল উৎপত্তি থেকে আলোচনা করার চেষ্টা করেছি।
৩) কাদের জণ্য এই কোর্স? মূলত নবম ও দশম শ্রেণীর কমার্সের শিক্ষার্থীদের জন্য তবে এটি অন্য বিভাগ থেকে এসে হিসাববিজ্ঞানে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের জন্যও প্রযোজ্য।
) কোর্সের সিলেবাস ও লেকচার সংখ্যাঃ নিম্নে কোর্সের অধ্যায়সমূহ এবং লেকচার সংখ্যা উল্লেখ করা হল-
কোর্সটি দুটি বিভাগে বিভক্ত।
ক) নবম শ্রেণীঃ অধ্যায় ১ থেকে ৭ ।
খ) দশম শ্রেণীঃ অধ্যায় ৮ থেকে ১৩।

অধ্যায়ের নাম সংখ্যা
১. হিসাববিজ্ঞানের পরিচিতি ১.১) হিসাববিজ্ঞানের ধারণা।১.২) হিসাববিজ্ঞানের উদ্দেশ্য।১.৩) উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ।১.৪) হিসাব তথ্যের ব্যবহারকারী। ১.৫) মূল্যবোধ ও জবাবদিহিতা সৃষ্টিতে হিসাববিজ্ঞানের ভূমিকা।
১.৬) প্রথম অধ্যায়ের প্রশ্ন-উত্তর পর্ব
৭+
২. হিসাববিজ্ঞানের প্রাথমিক ধারণা ২.১ বিভিন্ন প্রকার লেনদেন এর ব্যাখ্যা (১)২.২ বিভিন্ন প্রকার লেনদেন এর ব্যাখ্যা (২)২.৩ বিভিন্ন প্রকার লেনদেন এর ব্যাখ্যা (৩)২.৪ বিভিন্ন প্রকার লেনদেন এর ব্যাখ্যা (৪) ২.৫ বিভিন্ন প্রকার লেনদেন এর ব্যাখ্যা (৫)
২.৬ বিভিন্ন প্রকার লেনদেন এর ব্যাখ্যা (৬)
৬+
৩. লেনদেন ৩.১) লেনদেনের ধারণা।৩.২) লেনদেনের প্রকৃতি বা বৈশিষ্ট্য।৩.৩) লেনদেন চিহ্নিতকরণ।৩.৪) হিসাব সমীকরণ বিশ্লেষণ। ৩.৫) হিসাব সমীকরণে ব্যবসায়িক লেনদেনের প্রভাব।
৩.৬) ব্যবহারিক অংক হিসাব সমীকরণ (১)
৩.৭) ব্যবহারিক অংক হিসাব সমীকরণ (২)
৩.৮) ব্যবহারিক অংক হিসাব সমীকরণ (৩)
৩.৯) ব্যবসায়িক লেনদেনের উৎস  এবং এতদ্সক্রান্ত দলিলপত্রাদি।
৩.১০) তৃতীয় অধ্যায়ের প্রশ্ন-উত্তর পর্ব
১০+
৪. দু’তরফা দাখিলা পদ্ধতি ৪.১) দু’তরফা দাখিলা পদ্ধতির ধারণা।৪.২)  দু’তরফা দাখিলা পদ্ধতির মূলনীতি বা বৈশিষ্ট্য।৪.৩) দু’তরফা দাখিলা পদ্ধতির সুবিধাসমূহ।৪.৫) ডেবিট ও ক্রেডিট নির্ণয়ের নিয়মাবলী। ৪.৬) ডেবিট ও ক্রেডিট নির্ণয়ের নিয়মাবলী (২)।
৪.৭) লেনদেনে দু’তরফা দাখিলা পদ্ধতির প্রভাব বিস্তারিত বর্ণনা।
৪.৮) দু’তরফা দাখিলা পদ্ধতিতে রক্ষিত হিসাবের বই।
৪.৯) হিসাব চক্র।
৪.১০) হিসাবের ধারাবাহিকত রক্ষা পদ্ধতি।
৪.১১) একতরফা দাখিলা পদ্ধতি (১)।
৪.১২) একতরফা দাখিলা পদ্ধতি (২)।
১২+
৫. মূলধন ও মুনাফা জাতীয় লেনদেন ৫.১) মূলধন ও মুনাফা জাতীয় লেনদেনের ধারণা।৫.২) মূলধন জাতীয় প্রাপ্তি।৫.৩) মূলধন জাতীয় আয়।৫.৪) মূলধন জাতীয় ব্যায়। ৫.৫) মুনাফা জাতীয় প্রদান বা ব্যয়।
৫.৬) মুনাফা জাতীয় প্রাপ্তি বা আয়।
৫.৭) বিলম্বিত মুনাফা জাতীয় ব্যয়।
৫.৮) মূলধন ও মুনাফা জাতীয় লেনদেন পার্থক্যকরণের প্রয়োজনীয়তা।
৫.৯) মুলধন ও মুনাফা জাতীয় লেদেনের প্রভাব।
৫.১০) মুলধন ও মুনাফা জাতীয় হিসাবের তালিকা (১)
৫.১০) মূলধন ও মুনাফা জাতীয় হিসাবের তালিকা (২)।
৫.১১) মূলধন ও মুনাফা জাতীয় হিসাবের ব্যবহারিক অংক (১)
৫.১১) মূলধন ও মুনাফা জাতীয় হিসাবের ব্যবহারিক অংক (২)
৫.১১) মূলধন ও মুনাফা জাতীয় হিসাবের ব্যবহারিক অংক (৩)
১৪+
৬. হিসাব ৬.১) হিসাবের ধারণা।৬.২) হিসাবের ছক।৬.২) হিসাবের শ্রেণিবিভাগ।৬.৩) বিভিন্ন প্রকার হিসাবের সাথে লেনদেনের সংশ্লিষ্টতা (১)। ৬.৩) বিভিন্ন প্রকার হিসাবের সাথে লেনদেনের সংশ্লিষ্টতা (২)।
৬.৩) বিভিন্ন প্রকার হিসাবের সাথে লেনদেনের সংশ্লিষ্টতা (৩)।
৬.৩) বিভিন্ন প্রকার হিসাবের সাথে লেনদেনের সংশ্লিষ্টতা (৪)।
৬.৭) ডেবিট ও ক্রেডিট।
৬.৮) হিসাবের উপর লেনদেনের প্রভাব উদাহরণ সহকারে।
৫+
৭. জাবেদা ৭.১) জাবেদার ধারণা৭.২) জাবেদার গুরুত্ব।৭.৩) সাধারণ জাবেদা।৭.৪) জাবেদার শ্রেণিবিভাগ। ৭.৫) বিশেষ জাবেদা।
৭.৬) সাধারণ জাবেদা দাখিলা প্রদানে বিবেচ্য বিষয় (১)।
৭.৬) সাধারণ জাবেদা দাখিলা প্রদানে বিবেচ্য বিষয়(২)।
৭.৭) প্রকৃত জাবেদা (১. সংশোধনী)।
৭.৭) প্রকৃত জাবেদা (২. সমন্বয়)।
৭.৭) প্রকৃত জাবেদা (৩. সমাপনি)।
৭.৭) প্রকৃত জাবেদা (৪.প্রারম্ভিক)।
৭.৮) বাট্টা ও বাট্টার প্রকারভেদ।
৭.৮) বাট্টা ও বাট্টার প্রকারভেদ (১. কারবারি বাট্টা)।
৭.৮) বাট্টা ও বাট্টার প্রকারভেদ (২. নগদ বাট্টা)।
৭.৯) ব্যবহারিক অংক জাবেদা (১)।
৭.৯) ব্যবহারিক অংক জাবেদা (২)।
৭.৯) ব্যবহারিক অংক জাবেদা (৩)।
৭.৯) ব্যবহারিক অংক জাবেদা (৪)।
৭.৯) ব্যবহারিক অংক জাবেদা (৫)।
৭.৯) ব্যবহারিক অংক জাবেদা (৬)।
৭.৯) ব্যবহারিক অংক জাবেদা (৭)।
৭.৯) ব্যবহারিক অংক জাবেদা (৮)।
২২+
৮. খতিয়ান ৮.১) খতিয়ানের ধারণা।৮.২) খতিয়ানের বৈশিষ্ট্য।৮.৩) খতিয়ানের গুরুত্ব।৮.৪) জাবেদা ও খতিয়ানের প্রার্থক্য। ৮.৫) খতিয়ানভুক্তকরণ বা পোস্টিং।
৮.৬) হিসাবের জের টানা বা ব্যালেন্সিং।
৮.৬) হিসাবের জের টানা বা ব্যালেন্সিং (২)।
৮.৭) চলমান জের ছক।
৮.৮) ব্যবহারি অংক খতিয়ান (১)।
৮.৮) ব্যবহারি অংক খতিয়ান (২)।
৮.৮) ব্যবহারি অংক খতিয়ান (৩)।
৮.৯) সাধরণ খতিয়ান ও সহকারী খতিয়ান।
৮.১০) ক্রয় জাবেদা ও সংশ্লিষ্ট খতিয়ান।
৮.১১) বিক্রয় জাবেদা ও সংশ্লিষ্ট খতিয়ান।
৮.১২)ক্রয় ফেরত জাবেদা ও সংশ্লিষ্ট খতিয়ান।
৮.১৩)বিক্রয় ফেরত জাবেদা ও সংশ্লিষ্ট খতিয়ান।
৮.১৪) খতিয়ান উদ্বৃত্ত দ্বারা গানিতিক শুদ্ধতা যাচাই।
৬+
৯. নগদান বই ৯.১) নগদান বই এর ধারণা।৯.২) নগদান বই এর বৈশিষ্ট্য।৯.৩) নগদান বই এর গুরুত্ব।৯.৪) নগদান বইয়ের শ্রেণিবিভাগ। ৯.৫) একঘরা নগদান বই (১)
৯.৫) একঘরা নগদান বই (২)
৯.৬) দুইঘরা নগদান বই (১)
৯.৬) দুইঘরা নগদান বই (২)
৯.৬) দুইঘরা নগদান বই (৩)
৯.৬) দুইঘরা নগদান বই (৪)
৯.৭) তিনঘরা নগদান বই (১)
৯.৭) তিনঘরা নগদান বই (২)
৯.৭) তিনঘরা নগদান বই (৩)
৯.৭) তিনঘরা নগদান বই (৪)
১৪+
১০. রেওয়ামিল ১০.১) রেওয়ামিলের ধারণা।১০.২) রেওয়ামিলের উদ্দেশ্য।১০.৩) রেওয়ামিল প্রস্তুত প্রণালী।১০.৪) রেওয়ামিল প্রস্তুত করণে বিবেচ্য বিষয়সমূহ। ১০.৫) খতিয়ানের ডেবিট উদ্বৃত্ত ও ক্রেডিট উদ্বৃত্ত রেওয়ামিলে অন্তর্ভুক্তিকরণের মাধ্যমে রেওয়ামিল প্রস্তুতকরণ।
১০.৬) রেওয়ামিলে যে সমস্ত ভুল ধরা পড়ে।
১০.৬) রেওয়ামিলে যে সমস্ত ভুল ধরা পড়ে (২)।
১০.৭) রেওয়ামিলে যে সমস্ত ভুল ধরা পড়ে না।
১০.৭) রেওয়ামিলে যে সমস্ত ভুল ধরা পড়ে না (২)।
১০.৮) অশুদ্ধ রেওয়ামিল শুদ্ধ করার উপায়।
১০.৯) অনিশ্চিত হিসাব।
১০.১০) ব্যবহারিক রেওয়ামিল (১)।
১০.১০) ব্যবহারিক রেওয়ামিল (২)।
১০.১০) ব্যবহারিক রেওয়ামিল (৩)।
১০.১০) ব্যবহারিক রেওয়ামিল (৪)।
১০.১০) ব্যবহারিক রেওয়ামিল (৫)।
১০.১১) ভুল সংশোধনের মাধ্যমে অনিশ্চিত হিসাব বন্ধ করা।
১০.১২) সংশোধনী জাবেদা লিখার নিয়মাবলী।
১০.১২) সংশোধনী জাবেদা লিখার নিয়মাবলী (ব্যবহারিক)।



২০+
১১. আর্থিক বিবরণী ১১.১) ভূমিকা১১.২) এক মালিকানা ব্যবসায়ের আর্থিক বিবরণী।১১.৩) বিশদ আয় বিবরণী এবং উদ্দেশ্য ও ব্যবহারিক।১১.৩) কয়েকটি ব্যয় ও আয় নিয়ে আলোচনা। ১১.৩) এক মালিকানা ব্যবসায়ের মালিকানা স্বত্ব বিবরণরি প্রস্তুত প্রণালী।
১১.৪) আর্থিক অবস্থার বিবরণী ও প্রস্তুত প্রণালী।
১১.৫) সম্পদ ও দায়ের  শ্রেণী বিভাগের প্রয়োজন।
১১.৬) আর্থিক বিবরণী প্রস্তুতকরণে হিসাববিজ্ঞানের নীতিমালার প্রয়োগ (১)
১১.৬) আর্থিক বিবরণী প্রস্তুতকরণে হিসাববিজ্ঞানের নীতিমালার প্রয়োগ (২)
১১.৭) অর্থিক বিবরণ প্রস্তুতকরণে বিবেচ্য সমন্বয়সমূহ (১)।
১১.৭) অর্থিক বিবরণ প্রস্তুতকরণে বিবেচ্য সমন্বয়সমূহ (২)।
১১.৮) আর্থিক বিবরণী ব্যবহারিক অংক (১)।
১১.৮) আর্থিক বিবরণী ব্যবহারিক অংক (২)।
১১.৮) আর্থিক বিবরণী ব্যবহারিক অংক (৩)।
১১.৮) আর্থিক বিবরণী ব্যবহারিক অংক (৪)।
১১.৮) আর্থিক বিবরণী ব্যবহারিক অংক (৫)।
১১.৯) ব্যবসায়ের আর্থিক অবস্থার মূল্যায়ন।
১১.১০ মুনাফার হার।
১১.১০) মুনাফার হার ব্যবহারিক অংক।
২০+
১২. পণ্যের ক্রয়মূল্য, উৎপাদন ব্যয় ও বিক্রয়মূল্য ১২.১) ধারণা১২.২) ক্রয় মূল্য নিরূপণ।১২.৩) বিক্রয় মূল্য নিরূপণ।১২.৪) ক্রয় ‍ও বিক্রয় মূল্য ব্যবহারিক অংক। ১২.৫) উৎপাদন ব্যয়ের ধারণা ও তাৎপর্য।
১২.৬) উৎপাদন ব্যয় নির্ণয়ের উদ্দেশ্য।
১২.৭) উৎপাদন ব্যয়ের উপাদান।
১২.৮) উৎপাদন ব্যয় বিবরণী।
১২.৯) উৎপাদন ব্যয় ব্যবহারিক অংক।
১০+
১৩. পারিবারিক ও আত্মকর্মসংস্থান মূলক উদ্যোগের হিসাব ১৩.১) পারিবারিক হিসাব ব্যবস্থার ধারণা।১৩.২) পারিবারিক হিসাব ব্যবস্থার বৈশিষ্ট্য।১৩.৩) পারিবারিক হিসাব ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তা।১৩.৪) পারিবারিক বাজেট। ১৩.৫) পারিবারিক আর্থিক বিবরণ প্রস্তুতকরণ।
১৩.৬) পারিবারিক আর্থিক বিবরণ প্রস্তুতকরণ ব্যবহারিক অংক (১)।
১৩.৬) পারিবারিক আর্থিক বিবরণ প্রস্তুতকরণ ব্যবহারিক অংক (২)।
১৩.৬) পারিবারিক আর্থিক বিবরণ প্রস্তুতকরণ ব্যবহারিক অংক (৩)।
১৩.৬) পারিবারিক আর্থিক বিবরণ প্রস্তুতকরণ ব্যবহারিক অংক (৪)।
১০+
সবশেষে বিভিন্ন বোর্ড প্রশ্নের সমাধান !!!!